ভ্যান্স বলেন, ইরানের শাসনব্যবস্থা ভঙ্গুর এবং এর সঙ্গে কাজ করা কঠিন।

 

উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্স শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬ তারিখে মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডে মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগদান করেন। (হোয়াইট হাউসের দাপ্তরিক ছবি, এমিলি জে. হিগিন্স কর্তৃক তোলা।)


সারসংক্ষেপ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত অস্ত্রশস্ত্র রয়েছে এবং তারা অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়াচ্ছে। এর মাধ্যমে তিনি মার্কিন অস্ত্রের মজুত সম্পর্কে ফাঁস হওয়া দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বুধবার বলেছেন যে, ইরানের একটি "বিভক্ত ব্যবস্থা" রয়েছে, যেখানে কিছু গোষ্ঠী যুদ্ধের অবসান চায়, আবার অন্যরা সংঘাত চালিয়ে যেতে চায়। তিনি সতর্ক করে বলেন যে, তেহরানের সঙ্গে আলোচনা কঠিন হবে এবং এতে সময় লাগবে।

হামাস রাজনৈতিক নেতা খলিল আল-হায়ার সঙ্গে এক ফোন আলাপে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বুধবার বলেছেন, চলমান আলোচনায় ফিলিস্তিনি নেতাদের যেকোনো সিদ্ধান্তকে ইরান সমর্থন করবে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিস্তারিত বিষয়ে সংসদে জবাবদিহি করতে হবে বলে বুধবার জানিয়েছেন আইনপ্রণেতা কামরান গাজানফারি।

ইরানের ১৯০৬ সালের পারস্য সাংবিধানিক বিপ্লবের বার্ষিকী উপলক্ষে দেশটির যুবরাজ রেজা পাহলভী দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণের জন্য অবাধ নির্বাচন এবং একটি গণপরিষদ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।

২২ মিনিট আগে

যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চল ত্যাগ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকবে, বললেন ইরানের এমপি

বৃহস্পতিবার ইরানের আইনপ্রণেতা বেহনাম সাঈদী বলেছেন, নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চল ত্যাগ এবং ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকবে।

ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্র নীতি কমিটির সচিব সাঈদী বলেন, “নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চল ত্যাগ এবং হুমকি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত প্রণালীটি পুনরায় খোলা হবে না।”

তিনি বলেন, তেহরান ও মাস্কাটের মধ্যে আলোচনা শুধুমাত্র প্রণালীটির নৌপথ নিয়েই হয়েছে এবং জলপথটি খোলা বা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত একমাত্র ইরানই নেবে।

সাঈদী বলেন, “হরমুজ প্রণালী ইসলামী প্রজাতন্ত্রের জন্য একটি প্রধান সম্পদ এবং এর প্রতিরোধ ক্ষমতা একটি পারমাণবিক বোমার চেয়েও বেশি।”

১ ঘন্টা আগে

ইরান-ওমান হরমুজ সমঝোতা কার্যত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেই, বলছে কায়হান

কট্টরপন্থী কায়হান পত্রিকার সম্পাদক হোসেইন শরিয়তমাদারি বৃহস্পতিবার লিখেছেন, হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যেকার সমঝোতাকে কার্যত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার একটি চুক্তি হিসেবেই দেখা উচিত।

কট্টরপন্থী পত্রিকাটিতে সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির প্রতিনিধি শরিয়তমাদারি লিখেছেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ওমানের গভীর নির্ভরশীলতার পরিপ্রেক্ষিতে, ‘ইরান ও ওমানের মধ্যকার সমঝোতা’-কে ‘ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সমঝোতা’ হিসেবেই অনুবাদ করা উচিত।”

তিনি ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদির এই দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন যে, এই সমঝোতার অর্থ প্রণালীটি পুনরায় খুলে দেওয়া নয়। তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন যে, জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিলে ঠিক তাই হবে।

শরিয়তমাদারি লিখেছেন, “ইসলামী প্রজাতন্ত্র কেন তার দেশের প্রতিরক্ষার অন্যতম প্রধান ও কার্যকর একটি উপায় ছেড়ে দেবে?” তিনি এই পদক্ষেপকে “শত্রুর জন্য পালানোর পথ খুলে দেওয়া” বলে বর্ণনা করেছেন।


Post a Comment

Previous Post Next Post